ICRC সম্পর্কে
ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার (ICRC) ঢাকায় অবস্থিত একটি প্রজনন চিকিৎসাকেন্দ্র। ২০০২ সাল থেকে এখানে সন্তান নিতে সমস্যায় পড়া নারী ও পুরুষের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, পরামর্শ ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আমাদের কাছে যা গুরুত্বপূর্ণ
আমাদের লক্ষ্য
রোগীর কথা শুনে, তাঁর প্রয়োজন বুঝে চিকিৎসা দেওয়া।
বন্ধ্যত্বের কারণ বোঝা, উপযুক্ত চিকিৎসা বেছে নেওয়া এবং প্রতিটি ধাপ বুঝিয়ে বলা—রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী এই কাজগুলো করাই আমাদের লক্ষ্য।
আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রজনন স্বাস্থ্য কেন্দ্র হওয়া।
আমরা চাই, সন্তান নিতে সমস্যায় পড়লে মানুষ সংকোচ ছাড়া চিকিৎসা নিতে পারেন। চিকিৎসা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেই সুযোগ বাড়াতে আমরা কাজ করতে চাই।
সহমর্মিতা সবার আগে
প্রতিটি কথোপকথন ও চিকিৎসা সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে সহানুভূতি।
গবেষণার ভিত্তিতে চিকিৎসা
গবেষণা ও চিকিৎসার স্বীকৃত তথ্য অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া।
রোগীর নিরাপত্তা
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি ও নিরবচ্ছিন্ন ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ।
চিকিৎসায় স্বচ্ছতা
চিকিৎসা পদ্ধতি, খরচ ও ফলাফলে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা।
সবার জন্য চিকিৎসা
বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারের নাগালে বিশ্বমানের বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা।
নতুন জ্ঞান ও পদ্ধতি শেখা
আরও কার্যকর চিকিৎসার জন্য গবেষণা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ।
দুই দশকের সেবা ও আশা
২০০২ সালে শুরু হওয়ার পর আমাদের চিকিৎসা, ল্যাব ও প্রশিক্ষণের কাজ কীভাবে এগিয়েছে, এখানে তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা দেওয়া হলো।
প্রতিষ্ঠা
2002
ICRC-এর যাত্রা শুরু
বাংলাদেশে আধুনিক বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা পৌঁছে দিতে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত।
মাইলফলক
2005
প্রথম সফল টেস্ট টিউব বেবি
আমাদের কর্মসূচিতে বাংলাদেশের প্রথম আইভিএফ শিশুর জন্ম।
শিক্ষা
2010
প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু
প্রজনন চিকিৎসা ও ভ্রূণবিদ্যায় স্বীকৃত কোর্স চালু করা হয়।
স্বীকৃতি
2013
জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা শ্রেষ্ঠত্ব পুরস্কার
এই সরকারি পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশের প্রথম ফার্টিলিটি সেন্টার।
বর্ষপূর্তি
2022
২০ বছর পূর্তি
১২,০০০+ পরিবারকে সেবা, ৪০+ বিশেষজ্ঞ এবং নতুন ডিজিটাল পোর্টাল।
চেয়ারম্যানের বার্তা
“দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আমাদের লক্ষ্য অপরিবর্তিত রয়ে গেছে: সততা, সহমর্মিতা ও বিশ্বমানের বিজ্ঞান দিয়ে প্রতিটি পরিবারকে বাবা-মা হওয়ার সর্বোত্তম সুযোগ করে দেওয়া।”
২০০২ সালে যখন আমি ICRC প্রতিষ্ঠা করি, তখন বন্ধ্যত্বের সঙ্গে লড়াই করা দম্পতিদের জন্য বাংলাদেশে খুব কম সুযোগ ছিল। প্রজনন চিকিৎসা ছিল প্রায় নাগালের বাইরে — আমি বিশ্বাস করতাম, এটি বদলাতে হবে।
দুই দশক পর ICRC ছোট একটি ক্লিনিক থেকে একটি শ্রেষ্ঠত্বের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে — হাজারো পরিবারের চিকিৎসা, শত শত পেশাজীবীর প্রশিক্ষণ এবং এমন গবেষণা প্রকাশ করেছে যা এই অঞ্চলের চিকিৎসার মান নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
আপনি বা আপনার কাছের কেউ সন্তান নিতে সমস্যায় পড়লে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। আপনার কথা শুনে চিকিৎসার সম্ভাব্য উপায়গুলো বুঝিয়ে বলতে আমরা আছি।
অধ্যাপক ডা. রশিদ আলম
এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমডি (প্রজনন এন্ডোক্রিনোলজি)
চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা — ICRC বাংলাদেশ
পুরস্কার ও মাইলফলক
ক্লিনিক্যাল শ্রেষ্ঠত্ব ও আন্তরিক সেবার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
20+
বছরের অভিজ্ঞতা
12k+
পরিবারকে সহায়তা
50+
গবেষণা প্রবন্ধ
8
জাতীয় পুরস্কার
98%
সন্তুষ্টির হার
40+
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
বাংলাদেশ হেলথকেয়ার ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন
অনলাইন ফার্টিলিটি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চিকিৎসা শিক্ষায় পরিবর্তন আনার স্বীকৃতি।
প্রজনন চিকিৎসায় শ্রেষ্ঠত্ব
সাউথ এশিয়ান ফার্টিলিটি সোসাইটি
আইভিএফ-এ অসামান্য ক্লিনিক্যাল ফলাফল ও প্রমাণভিত্তিক পদ্ধতিতে নেতৃত্ব।
জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা শ্রেষ্ঠত্ব পুরস্কার
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
রোগীসেবার জন্য এই পুরস্কারপ্রাপ্ত দেশের প্রথম ফার্টিলিটি সেন্টার।
গবেষণা শ্রেষ্ঠত্ব পুরস্কার
বাংলাদেশ সোসাইটি অব রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন
বাংলাদেশি নারীদের মধ্যে পিসিওএস নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণা।
সনদ ও স্বীকৃতি
আইএসও ৯০০১:২০১৫ সনদপ্রাপ্ত
কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
SART সদস্য প্রতিষ্ঠান
সোসাইটি ফর অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাক্টিভ টেকনোলজি
সিএমই স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল
ডব্লিউএইচও সহযোগী কেন্দ্র
প্রজনন স্বাস্থ্য গবেষণা
অর্থায়ন ও স্বাধীনতা
ICRC কীভাবে পরিচালিত হয় এবং আমরা কীভাবে আমাদের ক্লিনিক্যাল ও সম্পাদকীয় স্বাধীনতা রক্ষা করি।
রোগীসেবার ফি
৭৮%পরামর্শ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার সরাসরি ফি — খরচ পুনরুদ্ধারের ভিত্তিতে নির্ধারিত।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়
১৪%আমাদের পেশাগত প্রশিক্ষণ কোর্স ও সনদ পরীক্ষার ভর্তি ফি।
গবেষণা অনুদান
৬%চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ ও প্রজনন স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন থেকে প্রতিযোগিতামূলক অনুদান।
প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব
২%কমিউনিটি কার্যক্রমে স্বাধীন অংশীদারিত্ব — সব চুক্তি প্রকাশ্যে জানানো হয়।
বাণিজ্যিকভাবে স্বাধীন
কোনো ওষুধ কোম্পানি বা বাণিজ্যিক অংশীদারের ICRC-তে আর্থিক অংশীদারিত্ব বা আমাদের ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্তে প্রভাব নেই।
আমরা যা গ্রহণ করি না
- ICRC-এর কোনো প্রকাশনায় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত বা অর্থের বিনিময়ে লেখা বিষয়বস্তু
- ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণে ওষুধ কোম্পানির অর্থায়ন
- সম্পাদকীয় প্রভাব বিস্তার করে এমন অংশীদারিত্ব
- প্রকাশনার উপর শর্তযুক্ত গবেষণা অনুদান
সম্পাদকীয় স্বাধীনতা
কোনো অর্থদাতার আমাদের বিষয়বস্তুতে মতামত, অনুমোদন বা আপত্তির অধিকার নেই।
ওষুধ কোম্পানির পৃষ্ঠপোষকতা নয়
আমরা ওষুধ কোম্পানি বা যন্ত্র প্রস্তুতকারকের পৃষ্ঠপোষকতা গ্রহণ করি না।
স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশ
সব গবেষণা অনুদান প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়। সব কর্মী প্রতি বছর স্বার্থের দ্বন্দ্ব ঘোষণা করেন।
বার্ষিক স্বাধীন নিরীক্ষা
আর্থিক হিসাব ও পরিচালনা ব্যবস্থা প্রতি বছর স্বাধীনভাবে নিরীক্ষিত হয়।
সম্পাদকীয় নীতিমালা
ওয়েবসাইটের চিকিৎসাবিষয়ক লেখা কারা তৈরি করেন, কীভাবে যাচাই করা হয় এবং ভুল পাওয়া গেলে কীভাবে সংশোধন করা হয়—এখানে তা জানানো হয়েছে।
আমাদের লেখাগুলো কারা তৈরি করেন
প্রজনন চিকিৎসা, ভ্রূণবিদ্যা ও সংশ্লিষ্ট সেবায় কাজ করা আমাদের বিশেষজ্ঞরা চিকিৎসাবিষয়ক লেখা তৈরি করেন।
চিকিৎসা পর্যালোচনা প্রক্রিয়া
প্রতিটি ক্লিনিক্যাল প্রবন্ধ ICRC বিশেষজ্ঞের পিয়ার রিভিউ এবং ESHRE, ASRM ও NICE নির্দেশিকার আলোকে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকের সম্পাদকীয় পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে যায়।
তথ্য কখন হালনাগাদ হয়
চিকিৎসাবিষয়ক লেখা প্রতি ১২–২৪ মাসে আবার যাচাই করা হয়। লেখাটি চিকিৎসক সর্বশেষ কবে পর্যালোচনা করেছেন, সেই তারিখও দেওয়া হয়।
সংশোধন ও প্রত্যাহার
তথ্যগত ভুলের জন্য ৫ কর্মদিবসের মধ্যে সংশোধনী নোটিশ দেওয়া হয়। গুরুতর ক্লিনিক্যাল ভুল হলে পর্যালোচনার সময় প্রবন্ধটি সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়।
নীতিমালার সংস্করণ
সংস্করণ ৩.১
সর্বশেষ হালনাগাদ: মার্চ ২০২৫
সম্পাদকীয় পর্যালোচনা বোর্ড
অধ্যাপক ডা. রশিদ আলম
প্রধান সম্পাদক · প্রজনন এন্ডোক্রিনোলজি
ডা. সালমা ফারহান
উপ-সম্পাদক · ফার্টিলিটি মেডিসিন ও আইভিএফ
ডা. করিম ইসলাম
জ্যেষ্ঠ পর্যালোচক · ক্লিনিক্যাল ভ্রূণবিদ্যা
চিকিৎসা নিয়ে কথা বলতে চান?
কোন চিকিৎসক দেখাবেন বা প্রথম সাক্ষাতে কী নিয়ে আসবেন, জানতে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
